সুজানগরে ঈদ উপলক্ষে ফ্রিজ কেনাবেচায় ধুম

সুজানগরে ঈদ উপলক্ষে ফ্রিজ কেনাবেচায় ধুম

আর মাত্র ২ দিন পরই পবিত্র ঈদুল আজহা, কোরবানির ঈদ। কোরবানির গোশত সংরক্ষণের জন্য দরকার হয় ফ্রিজ এবং ডিপ ফ্রিজের। তাই সুজানগরে ঈদকে সামনে রেখে ফ্রিজের শো-রুমগুলোতে মানুষের ভীষণ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আর এবারের ঈদে সবচেয়ে বেশি ফ্রিজ কিনছেন নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় শো-রুমের মালিকেরা।

বুধবার সুজানগর পৌর বাজারের অগ্রণী ব্যাংকের সামনে অবস্থিত মিনিস্টার রেফ্রিজারেট শো-রুমে ফ্রিজ কিনতে আসা বাহিরচর এলাকার কাঠমিস্ত্রী শ্রমিক মনজেদ হোসেন বলেন বাড়ির আশপাশে অনেকেই ফ্রিজ কিনেছেন তাই আমার স্ত্রীও কয়েকদিন হলো বায়না ধরেছেন একটি ফ্রিজ কিনে দেবার জন্য তাই একজায়গা থেকে কিছু টাকা ম্যানেজ করে কিস্তির মাধ্যমে তিনি এখান থেকে ২৮হাজার টাকা দিয়ে একটি ফ্রিজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।

মিনিস্টার রেফ্রিজারেট শো-রুমে কর্ণধার মোঃ নয়ন হোসেন বলেন গত বছরের কোরবানির ঈদের তুলনায় এবারে করোনা আতংকের মধ্যেও ঈদে ফ্রিজ বিক্রির সংখ্যা বেড়েছে। এবং এবারে ফ্রিজ ক্রয়কারিদের মধ্যে বেশিরভাগই নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষ।

স্থানীয় ওয়ালটন প্লাজা থেকে ফ্রিজ কিনতে আসা তাঁতীবন্দের ভ্যান চালক আব্দুল খালেক বলেন নিজে কোরবানি না দিলেও ঈদকে সামনে রেখে এনজিও থেকে ২৫হাজার টাকা লোন নিয়েছিলাম এবং সেই টাকা দিয়ে একটি কম দামের মধ্যে ফ্রিজ কিনতে এসেছি। শো-রুমের ম্যানেজার মেহেদী হাসান জানান ক্রেতাদের সাধ এবং সাধ্যের মধ্যে হওয়ায় এবারে ফ্রিজের শো-রুমে ভিড় বাড়ছে।

এছাড়া সুজানগর বাজারের সিঙ্গার, যমুনা, মাইওয়ান, মার্সেল সহ অন্যান্য ফ্রিজের শো-রুমেও নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

অপরদিকে সিঙ্গার ও এলজি শো-রুমে উচ্চ বিত্ত ও মধ্যবিত্তদের অনেকে এবারের ঈদে নতুন ফ্রিজ ক্রয় করছেন।

সুজানগর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, সাপ্তাহিক পল্লীগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রবীন সাংবাদিক আব্দুস শুকুর জানান বিভিন্ন কোম্পানি কিস্তির সুবিধা প্রদান করায় বর্তমানে নিম্ন আয়ের মানুষেরাও নগদ কিছু টাকা জমা দিয়ে শো-রুমগুলো থেকে তারা ফ্রিজ কিনছেন। আর আগের চেয়ে ফ্রিজের দাম অনেক কম হওয়ায় এখন প্রায় ধনী গরিব প্রতিটি মানুষের ঘরেই ফ্রিজ শোভা পাচ্ছে।

error: অতি চালাকের গলায় দড়ি !!