সুজানগরে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

সুজানগরে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট

সুজানগরে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুহাট। ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানীর পশু কিনতে বর্তমানে স্থানীয় হাটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা গেছে। সুজানগর পৌর হাট সহ উপজেলার অন্যান্য পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, যথেষ্ট পরিমানে দেশী গরু বাজারে রয়েছে।

হাটগুলোতে শুধু দেশীয় খামারে পালিত গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়ায় পরিপুর্ণ হয়ে গেছে। তবে এবারে করোনার কারণে অনেকের আর্থিক সঙ্কট থাকায় ছোট ও মাঝারি আকারের পশুর দিকে ঝুঁকছেন বেশিরভাগ ক্রেতা।

সুজানগর পৌরহাট সাপ্তাহিক হাটবার হিসেবে রবিবার ক্রেতা বিক্রেতাদের জমজমাট বেচা-বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় গরু না থাকলেও এবারের এসব হাটে গত বছরের তুলনায় গরু ছাগলের দাম অনেকটাই কম, তবে মহিষের দাম একটু বেশি। আর সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে এবারে পশু কিনতে শুরু করেছেন ক্রেতারা। তাই বিক্রিতেও রয়েছে প্রতিযোগিতা।

রবিবার (১৯ জুলাই) সুজানগর পৌর পশু হাটে গিয়ে দেখা যায় ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশী। উপজেলার চর সুজানগরের গরু ব্যবসায়ী গোলাম রব্বানী বলেন, বাজারে ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরু বিক্রি বেড়েছে। কোরবানীর পশু কিনতে আসা অনেকেই জানান অন্য বছরের তুলনায় এবছর মহিষের দাম একটু বেশী। ভারতীয় মহিষ না আসার অজুহাতে দেশি মহিষের আকাশ ছোঁয়া দাম হাকাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

পৌরসভার কাঁচারীপাড়া থেকে আসা ক্রেতা ফিরোজ, আলম, হিমেল ও মিন্টু জানান, অসংখ্য পশুর মধ্য থেকে তাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দসই পশুটি কিনতে সুজানগর পৌর হাটে এসেছেন তারা।

সুজানগর পৌর পশুহাট মালিক আব্দুস ছালাম বলেন, অন্য বারের তুলনায় এবার প্রচুর পরিমানে দেশি গরু, ছাগল ও মহিষ ভেড়া আমদানি হয়েছে। সুজানগর পৌর পশুহাট টি অনেক পুরাতন একটি হাট। এটি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পশুহাট হিসেবে পরিচিত। তাছাড়া বাজারের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকায় দুর-দুরান্ত থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাগণ আসছে এবং নির্ভয়ে বেচা-কেনা করছেন। আর গ্রামগঞ্জের মানুষ শেষ মুহুর্তে কেনা-কাটা করে থাকে। তাই শেষ মুহুর্তে আরো বেশী পশু বিক্রি হওয়া এবং বাজার আরো জমজমাট হওয়ার আশা করছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: অতি চালাকের গলায় দড়ি !!