সুজানগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে -আ.লীগ নেতৃবৃন্দ

সুজানগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে -আ.লীগ নেতৃবৃন্দ

সুজানগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রয়াত আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। তিনি সব ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে দল এবং এলাকার উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন তা সুজানগরবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। আর সুজানগর উপজেলার বরেণ্য রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আবুল কাশেম এর আদর্শ ও ত্যাগকে বুকে ধারণ করে সকলকে দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।এবং তিনি যে ভাবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার প্রাণের ও ভালবাসার সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসাবে কাজ করে গেছেন তার এই অবদান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাবনা জেলা ও সুজানগর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধার সাথে যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে বলেও জানান স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ ।

সুজানগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে
-আ.লীগ নেতৃবৃন্দ

বৃহস্পতিবার (১লা অক্টোবর) প্রয়াত আবুল কাশেমের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকীতে স্থানীয় সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ আরো জানান জীবিত থাকাকালীন মরহুম আবুল কাশেমের নেতৃত্বে এই উপজেলা আওয়ামীলীগ যেভাবে সুসংগঠিতভাবে কাজ করেছে আগামীতেও যেন এই ধারা অব্যাহত থাকে এর জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদেরকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানানো হয়।

সুজানগরের রাজনৈতিক ইতিহাসে আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে -আ.লীগ নেতৃবৃন্দ | Sujanagar

পরে এদিন দুপুর ২টায় তার নিজ বাসভবনে কুরআন তেলোয়াত, মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত আদর্শ রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম এর কনিষ্ঠ পুত্র সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন, সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রওশন আলী, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল হাশেম সহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল বিশ্বাস, সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য রেজাউল করিম রেজা, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম আলী বিশ্বাস, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম সামছুল আলম, সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, বিআরডিবি এর চেয়ারম্যান একিউএম শামছুজ্জোহা বুলবুল, সুজানগর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন, চরতারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক রবিউল হক টুটুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান, উপ-দপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল, সুজানগর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক, সুজানগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রাজু আহমেদ, বিশষ্ট ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম (বাবু খান), উপজেলা যুবলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক আজিজুল হক বাবু, চর দুলাই বজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল বাহার, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন, সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম তমাল, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সোহাগ, উপজেলা আওয়ামীলীগ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন মসজিদের ইমামগন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন ।

শেষে মরহুম আবুল কাশেমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয় । দোয়া পরিচালনা করেন সুজানগর হাসপাতাল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. সিদ্দিকুর রহমান। উল্লেখ্য সফল রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম ২০১৬ সালের এ দিনে পৌরসভার চরসুজানগর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি জিবীত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এর পর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন।

এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

error: অতি চালাকের গলায় দড়ি !!