শিশু রবিউলের চিকিৎসার্থে সাহায্যের হাত বাড়ালেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান

শিশু রবিউলের চিকিৎসার্থে সাহায্যের হাত বাড়ালেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান

সুজানগরের ক্যান্সার আক্রান্ত হতদরিদ্র পরিবারের শিশু সন্তান রবিউলের চিকিৎসার্থে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন।

গত রবিবার (২৫ এপ্রিল) গণমাধ্যমে শরীরে ক্যান্সার:চিকিৎসার মাত্র এক লাখ টাকা হলে বাঁচবে সুজানগরের শিশু রবিউল শীর্ষক শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন এর নজরে আসলে তিনি ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু রবিউলের শারীরিক খোঁজখবর নেন এবং তার চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ বিশ হাজার টাকা প্রদান করেন।

এ সময় সুজানগর পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রেজা, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ, মর্ডান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্ণধার হেদায়েতউল্লাহ ডাবলু এবং সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন উপস্থিত ছিলেন। এদিকে অসহায় শিশু রবিউলের চিকিৎসার্থে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তার পরিবারের সদস্যরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ রবিউল সুজানগর উপজেলার ভাঁয়না ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের হতদরিদ্র দিনমজুর আব্দুর রশিদ শেখ ও চায়না খাতুনের ছেলে। গত প্রায় ৮ মাস আগে রবিউল হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে সিরাজগঞ্জ খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যান বাবা আব্দুর রশিদ। পরে রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি ও বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোর পর রবিউলের শরীরে দুরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে।

চিকিৎসকরা জানিয়েছে, রবিউলের ক্যান্সারের ১ স্টেজে আছে যা চিকিৎসা করলে নিরাময় যোগ্য। হতদরিদ্র দিনমজুর পিতা গত প্রায় ৮ মাস ধরে ছেলের চিকিৎসার খরচ যোগান দিতেই সর্বস্বান্ত। রবিউলের শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ায় এনজিও আশা থেকে ৩০হাজার টাকা, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প থেকে ২০ হাজার টাকা এবং স্থানীয় একটি এনজিও থেকে ২০ হাজার টাকা লোন নেওয়ার পাশাপাশি এলাকার মানুষ হাট-বাজার থেকে কিছু টাকা সংগ্রহ করে দিলে সেই টাকা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করে রবিউলের পরিবার।

প্রতি মাসে ২ বার করে রাজশাহী হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে যেতে হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ টাকা চিকিৎসার পিছনে ব্যয় হয়েছে। প্রতি মাসে ২ টি করে সর্বমোট ১০টি কেমোথেরাপি দিতে বলেছে চিকিৎসক। এর মধ্যে ৮টি কেমোথেরাপি দিয়েছে। প্রতিটি কেমোথেরাপি দিতে ২০ হাজার করে টাকা লাগছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছে, সব মিলে আর প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাগবে।

রবিউলের চিকিৎসার সহযোগিতা করতে চাইলে রবিউলের পরিবারের এই নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে ০১৭৭৬৬১৮৮৩১ (বিকাশ)।

error: অতি চালাকের গলায় দড়ি !!