বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সুজানগর

বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ সুজানগরের জনজীবন


সুজানগর পৌর শহর সহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাত্রা অতিরিক্ত বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে জনজীবন। অবিলম্বে এ বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি জানিয়েছে এ জনপদের মানুষেরা।

গতকাল ২৫ জুন বৃহস্পতিবার শুধুমাত্র সুজানগর পৌর শহরেরই সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ৫০ বারের অধিক লোডশেডিং দিয়েছে। আর গ্রাম অঞ্চলে লোডশেডিংয়ের চিত্র আরো ভয়াবহ। উপজেলার বাড়ইপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাতবাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন আলাল বলেন গরম আসতে না আসতেই শুরু হয়েছে অসহনীয় পর্যায়ের লোডশেডিং। দিনে রাতে কতবার যে বিদ্যুৎ যায় আসে তার কোন হিসাব নেই। আর এতে করে বিপর্যয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষেরা।

সুজানগর পৌর শহরের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন করোনা সংক্রমণের কারণে এমনিতেই আমাদের বিকাল ৪টার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে হয়। তারপর যদি এভাবে লোডশেডিং হয় তাহলে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই ভাল। সুজানগর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহজাহান আলী বলেন এক সময় বলা হতো শহরে বিদ্যুতে স্বস্তি থাকলেও পল্লী অঞ্চলে বিদ্যুতের দুভোর্গ রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে শুধু পল্লী অঞ্চলই নয় সুজানগর পৌর শহরেও বিদ্যুতে স্বস্তি নেই।

সুজানগরে লোডশেডিং কেন হচ্ছে জানতে চাইলে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সুজানগর জোনাল অফিসের ডিজিএম (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান বিদ্যুতের তেমন লোডশেডিং নেই। আর লোডশেডিং হলেও তা ট্রান্সমিশন বা অন্য কোন কারণে হতে পারে। এ সময় তিনি বিদ্যুতের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বিদ্যুতের লাইনের আশপাশে ঘুড়ি না উড়াতে আহ্বান জানান সকলের প্রতি।

কারণ হিসাবে তিনি বলেন অনেক সময় দেখা যায় ঘুড়ির সূতি বিদ্যুতের লাইনের তারে পেঁচিয়ে গিয়ে দুই তার একসাথে হওয়ার ফলে সমস্যা দেখা দেয়। সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান জানান বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের অবগত করেছেন। এবং তারা অতি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: অতি চালাকের গলায় দড়ি !!